Sushobhan Mukherjee

Leave a comment

Time to rethink on Infrastructure

Wish you all the greetings of “Subha Bijoya”. Trust you have enjoyed the days with your friends, family and loved once during Durgapuja holidays.

So far in my blog I had generally not written anything on Technology, Process etc. which are the core competency of my organizations. Few of my friends insisted me to write them as well. Here is the first one in the series.

OND (October, November, and December) quarter is always dull in terms of business in India, especially in Bengal. The season starts with Durgapuja, followed by Lakshmi Puja, Kalipuja, Diwali and followed by Christmas and off course Winter Vacation (since year ends at December, there are pressures to liquidate casual leaves). In effect generally business /investment happens little lesser compared to other quarters. But this is the time look back at investments done so far or review upcoming plans.

An enterprise typically is having heterogeneous environment where business is in need of different elements like Internet Bandwidth,  Router,  Switches, Firewall /UTM, Load Balancer, Servers, Storage, Backup, Desktop, Operating Systems, Database, Applications, Virtualizations, End Points, Wifi, CCTV/IP Camera Based Surveillance, Biometric Attendance, RF ID based Access Control and so on. In addition to this there is a huge Non-IT infrastructure needs to support these IT infra like UPS, DG Set, Building Management System, Cooling Systems (PAC, CAC), Civil, Interior etc.

One sample architecture is attached below to make all of you understand how critical it can be.


But how an Enterprise / Organization invest on these aspects? Is it possible for the IT administrator/Systems Incharge to handle such a wide spectrum of systems with his own domain knowledge, evaluate, finalize and implement as per organization objective?

Answer is “No”.

Then how it happens? It happens by “Assumptions” and OEM/SI “Influence”.

There are wide variety of OEMs in almost all variants. Few of the examples are as follows:

  • Internet Bandwidth: TATA, Reliance, Airtel, Sify and so on,
  • Computing: HP, Dell, IBM, Fujitsu, Lenovo, Acer, ASUS and so on,
  • Routing/ Switching: Cisco, HP, Juniper, Brocade, Avaya, Allied Telesis, Dlink, Extreme, Digisol, Netgear and so on,
  • Security: Fortinet, Cisco, Juniper, Cyberoam, Dell Sonicwall, Symantec, Kaspersky, Trend Micro, Palo Alto and so on,
  • Virtualization: VMware, Citrix, Microsoft, Ncomputing, VXL, Enjay and so on,
  • Wireless: Ruckus, Motorola, Cisco, Aruba, Ubiquity, Engenius, Digisol, Ubiquiti, Netgear, Dlink, Alcon and so on.
  • Gateway: 24 Online, Nomadix, Ucopia, Peplink, Radware, Bluecoat, Allot, F5, Citrix and so on
  • Surveillance: Sony Ipela, Samsung, LG, Tyco, Bosch, Honeywell, Pelco, Zicom, Alcon, CP Plus, Sparsh, Hikvision, Digisol and so on.
  • Video Conferencing: Polycom, Huawei, Cisco, VU, Avaya and so on.
  • Networking: Schneider Electric, Tyco, R&M, Systimax, Siemon, Molex, DAX, Dlink and so on.
  • Software: Microsoft, Redhat, Novell, CA, IBM, HP and so on.
  • UPS : Eton, APC, Emerson, Delta etc
  • PAC : Emerson
  • DG : Kirlosker, Jakson etc

Now it is literally impossible for an individual to avoid influence from almost all the above. Everyone pitches it’s superiority compared to the other and intends to prove the other one does not suit the customer requirement.

There was a situation of a customer where they had best of the bread products in almost all layers, but still they had application access issues (SAP with Oracle Database) through its blade server. They used to restart the gateway UTM, remove cables from the server etc. kind of short term break fixes instead of identifying the real root cause. The moment they spelled out to their existing service providers, all different stake holders were prone to sell their products. Internet service provider wanted to upgrade the bandwidth since the issue was due to over utilization of the bandwidth as per them. The UTM supplier and OEM wanted to sell the higher Box through Buyback since it apparently got over utilized as per their observations. Similarly LAN vendor wanted to change the entire cabling from Cat 5 to Cat 6 to improve performance. And off course customer was literally confused. Finally the troubleshooting revealed the configuration issues of their existing resources. On configuration of VLAN and deployment of the core switch in L3 mode with inter VLAN routing sorted out the problem. The problem was the generation of malicious traffic from the LAN machines which were part of same broadcast domain with the servers. Moreover, it has also been found the kind of resources they had in terms of the infra was surplus and would suffice their future needs at least for three years.

This is not uncommon in nature. Generally this is the pattern where market is inclined to sell more and more products/ services of theirs instead of doing due diligence to actual needs.

Let me give you one more example. One of the leading hospitality customer was having wifi implemented in the property from one of the leading renowned brand. The property had 67 no.s of access points installed in total 7 floors. The product was leader in the segment. But still customer was having lot of Wifi related issues with specifically apple devices. The moment they approached the provider, they suggested to have 20 more access points! Adding more and more devices can never solve the problem (moreover only problem in Apple devices cannot be a wifi coverage issue, it is bound to be a configuration issue). Wifi deployment needs proper survey and deployment plan as per needs not just deploying devices here and there. Additionally they bought the devices for some extraordinary features (which are true), but none of those were being used by them (as was not required for them). Later on they procured low cost devices (one fifth of the cost of existing devices) and their purpose was served with satisfaction.

Hence the idea should be to have a stock of the existing infra, understand it’s utilization, configuration and organization objective in order to select a product / solution. It is not only about selection of a product as per need, but also it is important to configure/customize as per organization business need in order to synchronize with the objective and have fruitful result.

With the blessings of Goddess Durga, it is high time for all of us to go back, understand the situation of our existing infrastructure before we invest further in products. Also let us enlighten ourselves to choose a right product, evaluate as per needs, not just by name.

Evaluation of existing infrastructure (which is already built and running) is not possible manually in case proper process are not in place. This is done by deployment of some automated tools which generate several logs and consultants manually correlate the logs and assist organizations with report on GAP Analysis and Remediation Plans.

Any queries from the interested readers, I will be happy to address.



1 Comment

আজি হতে কুড়ি বছর আগে

“আজি হতে কুড়ি বছর আগে”

ঠিক ধরেছেন পাঠক, এই পংক্তিটি “বিশসাল বাদ ” কিংবা “আজি হতে শতবর্ষ পরে” থেকে অনুপ্রানিত I

গত মহালয়ার দিন ভোর বেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে “আশ্বিনের শারদ প্রাতে……..” শুনতে শুনতেই  বেশ কয়েকটি এস এম এস , হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ হাজির মোবাইলে “শুভ মহালয়া” ৷ সত্যি , না হলে বোধহয় জানাই হত না সেই দিনটি “মহালয়া” এবং অবশ্যই একটি “শুভ” দিন | পরবর্ত্তীতে ফেসবুক , টুইটারও জানান দিল সগৌরবে যে সেদিন সত্যিই পিতৃপক্ষের শেষ আর দেবীপক্ষের শুরু | এবং বিভিন্নভঙ্গীতে দূর্গা ঠাকুরের ছবি / ভিডিও, নানাবিধ ছড়া , শ্লোক সহযোগে ৷ এবং এই প্রবনতা (বা রোগ) মানবসভ্যতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে সঞ্চারিত জীবন বা সমাজের প্রতিটি ঘটনা/ অনুষ্ঠান কে ঘিরে ৷

ফলত আমার উপরোক্ত বিষয়ের উদ্রেক ৷

আজ থেকে হতে কুড়ি বছর আগে (তিরিশ / চল্লিশ বছর আগে তো বটেই), তখনও অন্তর্জালের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়েনি আস্ত মানবসভ্যতা ৷ ফেসবুক নামক দৈত্যের মায়াজালে মোহগ্রস্ত , আসক্ত হয়ে ওঠেনি যুব সম্প্রদায় ৷ তখনও শরৎ এবং শীতের মাঝে হেমন্ত নামের অধুনা বিলুপ্তপ্রায় ঋতুটি অবশিষ্ট ছিল | প্রোমোটার এবং ফ্ল্যাট সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি বঙ্গসমাজ | ভোরের শিশির ভেজা ঘাসের উপর শুভ্র শিউলির অপার্থিব গন্ধে বাতাস তখনও জানান দিত “আশ্বিনের শারদপ্রাতে…… “মহামায়ার আগমনী | তখনও কোন এক “এশিয়ান পেইন্টস” শারদ সন্মানের চক্করে থিম অভিমুখী আবহমান বাংলার “পৃথিবীর সবচেয়ে বড়” দূর্গা রূপে উদ্ভাসিত হওয়ার কোন দায় ছিল না ৷ ঘরে ঘরে টেলিভিশন নামক যন্ত্রদানবের প্রকট উপস্থিতি অনুভূত হয় নি | ফলত মহলয়ার পূণ্য প্রভাতে উৎকট নৃত্য সহযোগে অসংখ্য চ্যানেলে অসহ্য “মেগাসিরিয়াল” সদৃশ অপেরা দেখার যন্ত্রনা ছিল না | ঝরঝরে ট্রানজিস্টরে মহালয়া শোনার অদ্ভুত এক আকুতি ছিল ৷  আজকের মত স্মার্টফোনে ডলবি সাউন্ডের এফ এম রেডিও ছিল স্বপ্নসম । ভোর চারটেতে ঘুম নষ্ট না করে পরে রেকর্ডেড ভার্সন শুনে নেওয়ার মত অপশন ছিল না ৷


বন্ধু আমাকে প্রগতিপন্থী , অসামাজিক, প্রাচীন , বৃদ্ধ ভাবলেও আমার কিছু করার নেই l

আমার ছেলেবেলায় আমাদের ঘরে টিউবলাইট ছিলনা ৷ টিমটিমে হলুদ আলোই ছিল ভরসা ৷ লোডশেডিং হত I বাইরে বেঞ্চে বসে পাড়ার আর চারজনের সাথে হাতপাখার হাওয়া খেতেখেতে জোনাক জ্বলা সন্ধ্যেবেলা তারাভরা আকাশ দেখার অবকাশ ছিল ৷ বিবিধভারতীর নাটকের প্রতি ছিল অমোঘ আকর্ষন ৷ বাড়ীতে প্রথম যখন আপট্রন এর ব্ল‍্যাক অ্যান্ড হোয়াইট টিভি এল, প্রতি রবিবার দূরদর্শনে ছায়াছবি দেখতে পাড়ার অনেকেই ভীড় জমাতো I পূজো শেষে পাড়ার প্রতিবাড়ীতে বিজয়ার প্রণাম করতে যেতাম l ঘরে বানানো নাডু নিমকি সহযোগে আপ্যায়ন চলতো ৷ দশমীর দিনেই পোষ্ট কার্ড ইনল্যান্ড এ চিঠিলেখার তোড়জোড় শুরু হত ৷

20151020_132113 20151020_132157

এই বিশ বছরে সমস্ত কিছু আমূল বদলে গেল। আর এই বদলের কাণ্ডারী চারমূর্তি “কম্পিউটার”,”ইন্টারনেট”,”গুগল” এবং “ফেসবুক” I

দুটি মানুষ আজ মুখোমুখি গল্প না করে মুঠোফোনের আবর্ত্তেবন্দী ৷ আমাদের দৈনন্দিন প্রতিটি কর্মকান্ড(নিতান্ত ব্যক্তিগত, অপ্রাসঙ্গিক বিষয়সহ) প্রায় রানিং কমেন্ট্রির মত তথাকথিত সোশাল মিডিয়ায়  আমজনতার নজরবন্দী ৷ সহজলভ্যতার বাহুল্যে প্রতিটি বিষয় তার গুরুত্ব হারিয়েছে I যেমন ক্যামেরা, গান ৷ প্রতিটি স্মার্ট ফোনেই এফএম, মিডিয়া প্লেয়ার, ক্যামেরা l সবার কানে হেডফোন ৷ ছবির পর ছবি ক্লিক আর ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এ মূহুর্তে আপলোড l এসএমএস,হোয়াটসঅ্যাপ, মেলে শারদীয়া শুভেচ্ছা,প্রনাম । কোথায় কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ, আড্ডা? কোথায় সেই আলিঙ্গনের উষ্ণতা?

আমরা ছুটে বেড়াচ্ছি প্রযুক্তির পিছনে ৷ ইন্টারনেট অফ থিংস কানেক্ট করতে চায় প্রানহীন প্রতিটি জিনিসকে, যাতে আমাদের জীবন আরো অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়ে, হয়ে পড়ে নির্ভরশীল ৷ যেমন আজকে আমাদের খুব বেশী কিছু মনে রাখার প্রয়োজন নাই ৷ গুগল সার্চ জিন্দাবাদ ৷ ফেসবুক আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ ৷ পুরোটাই যদিও ভার্চুয়াল ৷ এই অতি নির্ভরশীলতা কি ভাল? ভবিষ্যতের গহ্বরে এর উত্তর লেখা থাকবে ৷ যে চারটি প্রযুক্তির কল্যানে (চারমূর্তি) আমরা আজ স্বাচ্ছন্দের (তথাকথিত) চূড়ায়, সহজলভ্যতার নাগপাশে আবদ্ধ, কোন একদিন হয়তো এদেরকেই মানবসভ্যতা ধ্বংসের কাণ্ডারী হিসেবে গণ্য করা হবে ৷ আজকে এই সন্ধিক্ষণে একথা কষ্টকল্পনা, পাগলের প্রলাপ মনে হতে পারে I কিন্তু সাধু সাবধান ।

আজ সতর্ক না হলে আজ থেকে বিশ বছর পরে আর সুযোগ নাও আসতে পারে।

আসুন না একটু শান্তি, একটু আনন্দের খোঁজ করি৷ একটু মনের খবর নিই ৷ শুধুই যুগের হাওয়ায় না ভেসে, গড্ডালিকা প্রবাহে চালিত না হয়ে একটু নিজস্ব চিন্তাভাবনার চেষ্টা করি ৷ শুধুই ব্যস্বাগীশ না হয়ে, অর্থ/সাফল্য/সুখ/ সমৃদ্ধিরূপী মরিচীকার দিকে নিরন্তর না ছুটে, আসুন না একটু হৃদয়ের কথা শুনি ৷ ফিরে আসুক নিজের জন্য, পরিবারের জন্য সময় ৷ যন্ত্র, প্রযুক্তি, মিডিয়া, আর্থসামাজিক পরিস্থিতি আমাদের যা করাতে/ভাবাতে চাইছে অদৃশ্য অঙ্গুলী হেলনে, সেই  চালিকা শক্তির পদানবত না হয়ে আসুন না ঘুরে দাড়াই ৷ এই শারদ প্রাতে আগমনীর সুর আমাদের চেতনা জাগ্রত করুক । নিজস্ব যুক্তিবুদ্ধি , বিবেচনায় সমৃদ্ধ হয়ে ফিরে আসুক আমাদের স্বকীয়তা ৷

শুধুই একটু উষ্ণতার জন্যে ৷

রেললাইনের ধারে, দোদুল কাশের বনের পাশে অপু-দূর্গার পাশে সেদিন থাকবো আমরাও I আমি-আপনি-তুমি-তোমরা-আপনারা ৷ প্রকৃতির কোলে সত্যিকারের পথের পাঁচালীর অংশীদারত্বে সেদিনই হবে মহামায়ার বোধন ৷ প্রযুক্তি সঙ্গে থাকুক বন্ধু হয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রনে আর আলোকমঞ্জরী তে উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক এই বিশ্ব ।

“আশ্বিনের সেই শারদপ্রাতে…” আমরা মেতে উঠবো আনন্দযজ্ঞে ।

অপেক্ষায় রইলাম বন্ধু ৷

শুভ শারদীয়া ।