Sushobhan Mukherjee


1 Comment

বাংলাদেশের হৃদয় হতে 

“আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি

তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী!

ওগো মা, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে!

তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে॥“

কবিগুরু এই কবিতাটি অবিভক্ত বাংলা নিয়েই লিখেছিলেন । কিন্তু এখন বাংলাদেশ বলতে অবিবক্ত বাংলার পূর্বাংশ কেই বোঝায় যেখানে পশ্চিমভাগ শুধুই একটি রাজ্য, বৃহৎ একটি দেশের।

এবারের আমার বাংলাদেশ আসার উদ্দেশ্য ব্যাবসায়িক এবং সেটা দেশে রাজধানী ও প্রাণকেন্দ্র ঢাকা তে । তাই আমার এই লেখা “বাংলাদেশের হৃদয় হতে” আমার ভাবনার প্রকাশ এবং এবারের ভ্রমণ এর অভিজ্ঞতা ।

এই একটি দেশে এলেই আমার কখনও বিদেশ বলে মনে হয়নি । ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েও আমার অনেক সময় মনে হয় “অন্য দেশ” ।  বাংলা, ইংরাজী দূর অস্ত , রাষ্ট্রভাষা হিন্দি ও কেউ বোঝেনা, উপরন্তু তাদের ভাষাও আমার হিব্রু মনে হয় | বিশ্বের অন্য অনেক দেশেও আমার অনুভূতি এক | বাংলাদেশ ব্যাতিক্রম | একই ভাষা, একই রকম মানুষ, একই ধরনের জায়গা | তাছাড়া জন্মগত ভাবেই বাংলাদেশের সাথে আমার নাড়ীর সম্পর্ক | আমার জন্ম, বেড়েওঠা, কর্মসবই কোলকাতায় | কিন্তু আমার বাবা ঢাকা বিক্রমপুরের এবং মা বরিশাল , পটুয়াখালির ।

কর্মসূত্রে এবং ভ্রমনে আমি আগে বাংলাদেশে এসেছি । ব্যবসা / কাজ ঢাকাতে সীমাবদ্ধ থাকলেও, বেড়াতে এসে সারা বাংলাদেশ আমি চষে বেড়িয়েছি | বড়িশাল – পটুয়াখালি – টেকনাফ – কক্সবাজার – সেন্টমার্টিনস – বান্দরবন – চট্টগ্রাম – কোথায় নয়?

এবারের আগমন বানিজ্যের বিস্তার এবং এখানকার অন্য উদ্যোগপতি , সরকার ও বানিজ্য সমিতির সাথে মিলে আরো সামগ্রিক, সফল ব্যবসা প্রসারের পরিকল্পনা ৷ এই উদ্যোগ বহুলাংশে সফল এবং এ বিষয়ে এখানকার ভূমিপুত্র দের উৎসাহ লক্ষনীয় |

একটা পুরো দেশ বাঙালিদের, আর তাই এই লেখা বাংলায় | অন্য ভাষাভাষী পাঠকরা মার্জনা করবেন । ভবিষ্যতে কোন এক দিন ইংরাজীতে অনুবাদ ও করা যেতে পারে ৷

এবারের ভ্রমনে আমার বসবাস ফার্মগেট এলাকাতে । এটা শহরের মাঝামাঝি হওয়াতে বিভিন্ন যায়গাতে যাওয়া সহজ ৷ যদিও যানজট এ শহরের প্রাণান্তকর অবস্থা এবারে প্রত্যক্ষ করলাম ৷ এরকমও হয়েছে ১৫ মিনিটের পথ পেরোতে আড়াই ঘণ্টা সময় লেগেছে আর ফলতঃ মিটিং করা যায় নি ৷ এ যাত্রায় ঢাকা শহর পুরো চষে বেড়িয়েছি – বাংলা মোটরস, ধানমণ্ডি, মোহাকালি, গুলশান , পান্থপথ , বনশ্রী, বসুন্ধরা ইত্যাদি ৷

IMG_20160215_153638 IMG_20160215_153411

শহরের অনেক এলাকাতেই উড়ালপুল, ভূগর্ভস্থ জলনিকাষী ব্যবস্থা করার কাজ চলছে ৷ তবে প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই অপ্রতুল । এছাড়া রেল, স্বাইবাস, ভূগর্ভস্থ রেল ইত্যাদি ব্যবস্থাতেও নজর দেওয়া উচিত ।

এখানে এখনো প্রচুর দোতলা বাস চলে ৷ নিজস্ব গাড়ী ছাড়া যাতায়াত করা কষ্টকর ৷ আর তাই অধিকাংশ লোকেরই গাড়ী আছে । চার ঢাকা গাড়ীর ক্ষেত্র মোটামুটি টয়োটা গাড়ীর দখলে | এমন অনেক মডেল আছে যা ভারতে দেখা যায় না, যেমন Noha, Towance, Have, Gremio ইত্যাদি |  এছাড়া আছে প্রচুর অটো | অটো কিন্তু খাঁচায় বন্দী | চুরি, ছিনতাই রোখার জন্যই নাকি এই অবস্থা ! প্রচুর দোতলা বাস আমার ছেলেবলার নস্টালজিয়া উসকে দিল | কোলকাতায় এখন তো দোতলা বাস নেই-ই |

IMG_20160217_161904    IMG_20160218_163936 IMG_20160218_131201

বাংলাদেশের আসল বৈশিষ্ট লুকিয়ে এখানকার মানুষের মাঝে ।  বাংলা ভাষা, জাতিসত্ত্বার প্রতি আবেগ, দেশের প্রতি প্রেম অতুলনীয় । যেখানেই গেছি, মানুষের মধ্যে যে আন্তরিকতা দেখেছি, তা আমাদের কোলকাতাতেও বিরল | যে কোন মিটিং এই গেছি, প্রথমেই এসেছে খাবার – চা- স্যান্ডউইচ-ডাবের জল-ফল-ভাত-মাংস-বিরিয়ানি-মিষ্টি বিভিন্ন খাবার সংযোগে আপ্যায়ন | কেউ বা দিলেন পরবর্তী দিনের দ্বিপ্রাহরিক বা রাত্রিকালীন ভোজনের আমন্ত্রন (দাওয়াত)। এমন অনেক মানুষের সাথেও আলাপ হল যাদের সাথে প্রথম বার দেখা । সেখানেও যে রকম আপ্যায়ন এবং উপহার পেলাম তা সারা জীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

IMG_20160216_204234    12743660_10204026860990190_5439676619855609141_n new

শেষদিনে বইমেলাও ঘুরে এলাম । বইমেলার পরিবেশ, বই এর দোকানের কাঠামো নজর কাড়ল । বন্ধ খাঁচা নয়, বরং খোলা দোকান, ছারপাশ দিয়ে ঘুরে বই দেখা যায় । খাবারের দোকান বা বই ছাড়া আন্যান্য বিষয় বিক্রির বাহুল্যা নেই । হুমায়ুন আহমেদ এর একটি বই ও কিনলাম মেলার স্মৃতি হিসেবে ।

12705163_10204038083430744_4129681818968919761_n IMG_20160219_121236 IMG_20160219_121311 IMG_20160219_123546 12733460_10204038082070710_8341353038344902085_n

এযাত্রায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ যেমন স্থাপন হল, তেমনি প্রযুক্তি, শিল্পকলা, সংস্কৃতি আদান প্রদান এর ক্ষেত্রও প্রস্তুত হল ।  আশা করি, এই সম্পর্কের সুত্র ধরেই আবার ঘন ঘন যাতায়াত হবে এবং বাংলাদেশের হ্রদয় কে আরও কাছাকাছি স্পর্শ করার সুযোগ হবে । ফেরার পথে পাওয়া উপহার কালিজিরা চাল, গুড় এবারের যাত্রা কে পূর্ণতা দিল ।

আসছি বাংলাদেশ । ফিরে আসছি । বাংলা আর বাঙ্গালীর আসল রুপের পরিচয় পেতে ফিরে আসব বারবার।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের লেখার অংশ দিয়ে আজকের একুশে ফেব্রুয়ারীর লেখা শেষ করি :

আমি বাংলায় গান গাই,

আমি বাংলার গান গাই,

আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন,

আমি বাংলায় বাঁধি সুর,

আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।

বাংলা আমার জীবনানন্দ,

বাংলা প্রানের সুর,

আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।

আমি বাংলায় কথা কই,

আমি বাংলার কথা কই,

আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই ।

আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে,

করি বাংলায় হাহাকার,

আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ।

বাংলাই আমার দৃপ্ত স্লোগান,

ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,

আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।

আমি বাংলায় ভালবাসি,

আমি বাংলাকে ভালবাসি,

আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি ।

আমি যা কিছু মহান বরণ করেছি,

বিনম্র শ্রদ্ধায়,

মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায় ।

বাংলা আমার তৃষ্ণার জল,

তৃপ্ত শেষ চুমুক,

আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।

আমি বাংলায় গান গাই,

আমি বাংলার গান গাই,

আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন,

আমি বাংলায় বাঁধি সুর,

আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।

বাংলা আমার জীবনানন্দ,

বাংলা প্রানের সুর,

আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।

Advertisements


2 Comments

Business Auto-Graph

“Hey hey hey” my friend was raising hands on the road.

It was Monday afternoon in a rare winter season of Bengal. Both of us were heading for an audit (QMS, ISMS and ITSM) meeting on in one of the renowned government Enterprise. We were looking for a small auto ride instead of walking as in such a small distance, taxies were generally found to reluctant to go.

Fourth auto responded, stopped in front of us and we boarded. There was no other passengers.

As usual, we kept on talking on very casual things. One was commercial license as one of our common friend was asking information on the same last day.

Suddenly the auto driver stepped into our discussion and gave lot of insights on vehicle licensing. We were curious and found him to be extremely knowledgeable on rules, regulations, operations even technologies on automobile domain.

“How do you know so many inside stories man?” I was extremely curious.

“I run my cars in Ola/Uber” he replied.

“Then why don’t you drive your car instead of driving an auto? The revenue would be more” my friend Pritam responded.

“I have 11 cars” he replied quickly.

“What?how many” I was speechless!

“11 no.s Swift Dezires” he was instantaneous in his reply.

“OMG! Then my question is more relevant. You can easily ride one of the cars of your own instead of auto” Pritam responded back.

“I run my auto to manage the cars” he was prompt as usual.

“Running auto to operate cars? Is not it ridiculous? You need good pool of drivers instead” I was little harsh on my words.

“I have 31 drivers in my pool” he replied.

Both us were completely spellbound and by this time we reached the auto stand. This is the last spot and we need to walk few steps from here inside the lane. But by this time we were almost hypnotized by his business acumen and wanted to discuss further.

“Why don’t you drop us at the gate?” I requested.

“We do not generally run beyond routes” he replied.

“Boss, you are such a great business personal, why don’t we have some tea together at the gate? And if needed you may charge some additional bucks for going beyond the routes” Pritam pampered.

He agreed.

“How do you manage the whole operation and why auto?” I asked again on reaching destination.

“All my cars are garaged in salt lake and generally they operate in and around salt lake. In case of any turbulence/police problem, I can reach site in a very low profile” we were stunned again by his thoughts.

“But still managing 11 cars using 31 drivers are damn difficult” I was still not convinced, as I knew man power issues were more than anything else in Bengal as per my present business knowledge.

“Sir, I run all my cars in two shifts, I have tie-ups with driver centers even in case any of the drivers fails Attendance (even after using buffer from the pool) so that none of the cars stand idle in any shift of the day throughout the year. And management? See this” she pulls out two Iphones from pocket.

We had no words other than listening him” I spent INR 2500 every month on internet, apart from mobile internet, I have broadband WiFi at home. Each of my cars having two dual sim phones. Based on traffic/enquiries I instruct them to shuffle between Ola/uber/TFS”.

We were shattered by then and understood he has much more business knowledge than anyone of us.

He was Sonu sing from Uttar Pradesh.

Our salute to him. My heartiest prayers to the supreme Lord that the same attitude gets induced in the spirit of Bengal.

In the world of hallucination, he runs a true business on the ground and even after such a vast business and operations, his attitude toward work is fascinating.

Learning never ends and off-course we learnt a lot on that afternoon from the Auto Driver and his Autograph towards business really made our day.

autograph

(A true incident narrated in story format)

 


3 Comments

Wordcon – The Spirit of Life

“Wordcon 2015” was organized last Saturday of November(28-11-2015). This was first time the same took place in Kolkata, India with larger vision, viewpoint in mind.

This year it was themed as “Freelancers International Conference” and it was one of it’s first kind in the country as per our knowledge goes. Yes, it is neither a typo mistake nor an over ambitious statement. There are plenty of business meet-up, events in various domains everywhere, but those are meant for corporates (even upto SME). There used to be renowned speakers and people in the audience intended to be a patient listener.

Our objective was intended towards a small gathering (max 30 to 35) where people can take part in discussions of real life problems instead of just listening.  More precisely freelancers (individuals who works for themselves instead of an employee in a company) were meant for participants who feel themselves “very small” to the big business meetups to get engaged with the speakers/agenda.

But why the name is “Wordcon “. You are right. It is having relationship with “Words”. Wordcon aspires to find out keywords of life which balances between business and life. “Peace”, “Delight”, “Spirituality” are few of such words to have harmony, resonance, positivity of life.

DSCN3672

The event was initiated with the inaugural lamp lighting and speech from Sri Kritarthananda (Pradip Maharaj), the monk from belur math. Apart from his inaugural pitch, he sang a song as well post lunch. All participants admitted that they had never experienced a chief guest continued almost till the end of the event with his blessings.

DSCN3587 DSCN3797 DSCN3618

Then Pritam Bhattacharyya initiated the session on behalf of the organizers.  He briefed on his journey of transition from government employee to translator, teacher, author, entrepreneur off course a wordsmith.

DSCN3625 DSCN3710

Arindam Chatterley (alias chats), a professional trainer, life skill consultant, elaborated ten commandments of entrepreneurship with real examples from life. He explained how everyone can learn from even taxi driver to shoe polish person.

DSCN3634

Next was Pinaki Mazumder, founder Anubadak Lingo Services. With his life experiences, he stressed of relationships with customers. By his personal touch he bonded with his customers and in effect yielded much larger revenue base. Not only it resulted orders with premium values, but also stickiness was with years.

DSCN3670

Subhas Mukherjee our good old friend joined us from Bhutan. He narrated his life story to demonstrate the importance of the alignment with the cultural heritage of the geography in order to get success in business.

DSCN3686

Then it was the time for the desired break to drive into the Bengali traditional cousin through the traditional Bengali lunch.

DSCN3694

Post lunch, I had initiated the discussions with the importance of attending meetups. Off course there was few recitations as well. “Depression” by Srijato was more of a relevance to the event as it has dual meaning (Depression can be applied for Weather or even to Mind). Do you know the poem? If no below is the same:

IMG-20151004-WA0006

Gobindo Roy, founder of Lakshya Foundation, present researcher at IIT, Kharagpur presented on scopes, opportunity, platform in global arena for freelancers.

DSCN3732

Next was live interactions with Matteo Preabianca from Australia. He briefed his experience as freelancer. Desire from Germany further illustrated through recorded webinar on “How to manage your time in global time zones with work/life balance?”

DSCN3746  desire

Anindya Kumar Banerjee (alias AKB) joined us from Bihar. He was instrumental on his session on vertical reading. The session was focused on reading a 100 pages book in 90 minutes and the philosophy was inspired by Swami Vivekananda (he was farm believer and practitioner for rapid reading)

DSCN3753

There was small token of gratitude to the speakers and the same was extended through our Chief Guest.

DSCN3786 DSCN3784 DSCN3783 DSCN3787

The event was concluded by the music by sankhadip as planned.

12279190_10203657721881943_228722031066470704_n IMG_20151128_175553

The entire show was aspired of co-existence, harmony, peace and delight. We intend to comeback with the same spirit in the coming year as well.

Stay tuned thorough our website (www.wordcon.in). Three cheers for “Wordcon”.

DSCN3809


Leave a comment

কেয়া পাতার নৌকো

“কেয়া পাতার নৌকো গড়ে সাজিয়ে দেব ফুলে

তাল দিঘীতে ভাসিয়ে দেব, চলবে দুলে দুলে ।”

পাঠক ভাবছেন আমি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের “মেঘের কোলে” গানটি নিয়ে কিছু লিখতে বসেছি | অথবা প্রফুল্ল রায়ের সেই বিখ্যাত উপন্যাস ।

কিন্তু বন্ধু তা নয় । আপনি আবাক হবেন শুনে আজকের বিষয় “কেয়া চক্রবর্তী” । আর অনেকদিন পরে বাংলায় লিখতেও বেশ ভাল লাগছে।

এমন নয় কেয়া সম্বন্দ্ধে আমি আগে থেকেই অনেক কিছু জানতাম। কিন্তু ওনার বিষয়টি আমার নজরে এল “নাটকের মত” সিনেমা টির মাধ্যমে। যদিও সিনেমাটি এখনও আমি দেখিনি । কিন্তু দেখার ইচ্ছে রয়েছে । ধন্যবাদ দেবেশকে কেয়ার মত একটি নারী চরিত্র কে আমাদের গোচরে আনার জন্যে । আমার বিশ্বাস আমার মত অনেকেই কেয়ার বিষয়ে আগে জানতেন না, বিশেষত যারা সত্তর বা তার পরবর্তী সময়ে জন্মেছেন ।

আমার এই লেখা কিন্তু কোন ভাবেই কেয়ার মৄত্যু রহস্য ঘিরে নয় । কিংবা রুদ্রপ্রসাদ, অজিতেশ বা নান্দীকার এর দ্বন্দ নিয়ে নয় । কারণ এগুলো নিয়ে আমার জানা নেই । তাই মন্তব্য করাও বাতুলতা । নাট্যপ্রেমী হিসেবে আমি রুদ্রপ্রসাদ বাবুর নাটক বা অভিনয় দেখেছি । অজিতেশের অভিনয় সিনেমাতে দেখেছি বা ওনার বিষয়ে পড়েওছি । নাটক বিষয়ে আমার আগ্রহ আমার বাবার থেকে । বাবা নাটক করতেন । পরবর্তী কালে আমিও কিছু নাটক করেছি । সারকারিনা, স্টার থিয়েটার এ কিছু নাটকও দেখেছি এককালে।

কিন্তু তাও কেয়া বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি আগে। দেবেশ এর সিনেমাটিই এ বিষয়ে আমার দৃ্ষ্টি আকর্ষন করে এবং ফলত এ বিষয়ে কিছু পড়াশোনাও করে ফেলি । আমার নজরে আসে “কেয়ার বই” চিত্তরঞ্জন বাবুর সম্পাদনায়, “কেয়া” দেবেশ এর লেখা । পাশাপাশি পড়ে ফেলি ইন্টারনেট জুড়ে থাকা বিভিন্ন লেখা ও ডকুমেন্ট । কেয়ার নিজের লেখা “মিসেস আর পি সেনগুপ্তা” ।

কেয়ার মত এক অসাধারান প্রতিভাময়ী, সাহসী, ব্যাতিক্রমী বঙ্গরমণীর প্রতি আমার শতকোটি প্রণাম । বঙ্গ সমাজে, বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক আবহ মণ্ডলে এবং তাও সত্তরের দশকে, ওনার প্রতিবাদী সত্তার যে প্রকাশ তা অতুলনীয় । শুধু নাটক কে ভালবেসে কলেজের চাকরি ছেড়ে অনিশ্চিত জীবনে ঝাপিয়ে পড়ার যে সাহস উনি দেখিয়েছেন, তা বাংলা ও বাঙ্গালীর ইতিহাসে বিরল।

মাত্র ৩৮ বছর বয়সে আকস্মিক মৃত্যুর আগে অভিনয় ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য প্রতিভার সাক্ষর উনি রেখেছেন। কিছু নাটক যেমন “চার অধ্যায়”, “ভালমানুষ”, “তিন পয়সার পালা” ।

“জীবন যে রকম” ছবির শ্যুটিং করতে গিয়ে মাঝগঙ্গায় তলিয়ে যান তিনি । নিজের জীবন দিয়েই যেন তিনি এই সিনেমার নাম এবং তার জীবনকে মিলিয়ে দিয়েছেন ।

ছোটবেলা থেকেই কেয়া অন্যরকম । স্রোতের বিপরীতে যাওয়ার প্রবৃত্তি তার সহজাত । তার আবেগের ধরণগুলো ছিল ভিন্ন । একদিকে তার নমনীয়, কোমল, দরদী মন । আবার অন্যায় দেখলেই রুখে দাঁড়ানোর বিরল সাহস ।

ঘরে বাইরে অবিচারকে অস্বীকার করে যেন সমগ্র নারী সমাজের প্রতিবাদী কণ্ঠ হিসেবে প্রতিভাত হয়ে উঠেছিলেন কেয়া ।

স্বামী, দেওরের সমস্ত ফরমাস সামলে, মুখঝামটা সহ্য করে, সংসারের যাবতীয় দায়ীত্ত পালন করে কেয়া স্টেজে যেতেন, শুধু থিয়েটারকে ভালবেসে । কিন্তু তার শিল্পী সত্তা মুখর হয়ে ওঠে যখন তিনি দেখেন তার সংসার তার প্রকাশের পথে হয়ে ঊঠছে বাধা স্বরূপ ।

এই অসামান্য প্রতিবাদী সত্ত্বাকে আমার কুর্নিশ । বর্তমান সময়ে বাংলা ও বাঙালী জীবনে যেখানে শুধুই মেনে নেওয়ার মানসিকতা, অযথা ঝামেলায় না জড়িয়ে শান্তিকামী যে ভীরু চরিত্রের ভিড়ে লুকিয়ে থাকাকেই আমরা শ্রেয় মনে করছি, সেখানে কেয়া হয়ে উঠুক আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস । নারী, পুরুষ নির্বিশেষে, বাংলার ঘরে ঘরে জন্ম নিক অজস্র কেয়া । গঙ্গার বুক ভরে বয়ে যাক অসংখ্য কেয়া পাতার নৌকো ।

শ্রীজাত এর কবিতার কয়েকটি পংক্তি দিয়ে লেখাটি শেষ করতে খুব ইচ্ছে হচ্ছেঃ

“মানুষ থেকেই মানুষ আসে ।

বিরুদ্ধতার ভিড় বাড়ায়,

আমরা মানুস, তোমরা মানুষ ।

তফাত শুধু শিরদাঁড়ায় ।”

keya

 


2 Comments

Bong Buzz!

Bong Buzz!

Sounds interesting?  Looks like an upcoming thriller movie?

Somehow you are right. It is an upcoming thriller. But not a movie, rather a movement in Bengal.

Bingo! You got it right finally. I am referring to Bong Entrepreneurs only!

Bengal was always leader of India and World in the ancient ages. The dominance was prominent across the domains like Culture, Social, Education, Knowledge, Businesses, Economy, Wealth, Mind, Leadership Capabilities and many more. Do you think these as over enthusiasm being a son of the soil? Hang on!

Before the British period Bengal and areas surrounding Krishna-Godavori were one of the major contributors to world economy. East – India Company was formed for suckling the wealth and have revolutions in Europe and indeed it was a grand success.

Eventually, Bengal started losing its glory (mainly after division of East and west) across the domain. The capital of India was shifted from Kolkata and Bengal kept on loosing for years now.

Gradually we started living in our shells and given chances to others to dominate.  We escaped from Bengal to the other states and abroad in order to avoid problems.

In effect Bengal has reached to a dead end. Nothing worse can happen than the present situations.

Few people like us who thought of fighting out against the dirt residing inside, thought of bouncing back and yes “Bong Entrepreneurs” took birth.

Yesterday was our fifth meet up at RDB-CCD, Saltlake.

11998953_1490303241283442_2960274057300811689_n  10410498_1490215471292219_886078475990025038_n 11986499_10153175265000748_3563083796468710753_n

Starting from Park Hotel, Chowringee CCD, RDB-CCD, Downtown Banquet to RDB-CCD, overall 70 entrepreneurs of Bengal came forward to be part of the movement.  And off course enthusiasm crossed boundaries as we find enquiries outside Bengal and India.

IMG_224555542338776   IMG_224568755645391 20150711_175726

 

Through myself and Arijit had taken leadership roles with our friends like Partha, Subhrangsu, Neela, Pritam, “Bong Entrepreneurs” is conceptualized as a nonprofit platform for all where everyone can take part in and contribute in his/her own capacity without obligations. Same way Subhagata, Abhijit, Samrat, Somnath engaged with us and kept us spirited, energized and motivated almost in all actions so far. Smarajit Da and Amitabha Da extended their support always whenever we needed. Somnath and Abhishek contributed in different forms whenever needed.

DSCN3046 20150711_171959 20150711_173936

During our journey of entrepreneurship, we faced immense challenges and in effect lost lot of time and energy in solving non-business issues. Finance, HR, Recruitment, Manpower, Statutory, Legal, Compliance, Accounting, Sales, Marketing etc. are the few of the areas where all of us burnt our fingers.  But eventually, we got experienced. We could find out avenues of resolutions, could connect with right resource/partners and thought of collaborations in that ancients “Panchatantra” way. Wondering? OMG! You forgot? My friend, I am referring to the story of sticks which says breaking bunch of sticks are difficult compared to single stick.

We felt the problems we faced are inheritance of the ecosystem and in effect the same cannot be uprooted unless there is a collective movement. And off course due to severe obstacles, we entrepreneurs are stressed and losing our peace day by day.

We wanted to create a platform where we can be a support to each other by joining hands. The idea is not only to generate business for each other, but also to share pains, frustrations to get relieved and celebrate successes together.

Hence we planned to have fun, music, Bengali food etc. as well whenever situation permits. Please see the glimpses of the music and food from our 4th meet up at Downtown.

20150711_180121 20150711_180128 20150711_180150

Believe me, the idea is to create this platform as a family where it will be beyond business and surely there is no competition with any of the existing business platforms.  Rather we intend to walk hand in hand with their support.

We welcome all who love Bengal and intend to take part in this journey of revolutions.

Bengal will roar once again!

We can do it together.


Leave a comment

Jhulan Yatra

Jhulan Yatra is one of the most important festivals for the followers of Lord Krishna celebrated in the month of monsoon (generally Bengali month “Sravan”). It is one of the most popular religious occasion of the Vaishnavas. Jhulan Yatra has been inspired from the swing pastimes of Sri Krishna and his consort Radha during their fable romance in the idyllic pastoral groves of Vrindavan.

jhulan-yatra-2012-iskcon-aravade-15

Jhulan is known for its spectacular display of decorated swings, song and dance.

But Jhulan is memorable to me since my childhood days. Jhulan Yatra was meant for creations where we could construct miniature landscape with the talent of art, craft, decoration and of course imagination. We used to create mountains with old clothes (after dirtying with Soil), create roads with Sand and create pond with Glass. The mountain used to be crowded with grass, trees and animals. The road were populated with cars, traffic police, traffic signal. The lands were used to be prepared with soil, grass etc. There used to be special preparation to collecting/purchasing dolls as per setting the desired landscape. It was complete imagination and every day we used to change the situations. We used to put plastic fish below the glass to create the effect. This was nothing but the present versions of Visualizations.

Ghurney - Dolls clay_dolls_HG49_l 13854498234_c840730127_b

These are not interesting for the kids than the Mobile Games?

I was curious. Yesterday was the kick-off day of the same. My family was reluctant to execute the same due to dirt etc. There were no enthusiasm from the kids as well since they did not experience it earlier. In effect, I was demoralized and did not do anything. But thought the day I searched Google and found no clue if present generation is aware of it and I was sensing we are gradually losing our glorious past.

During return I found in Facebook one of my brother initiated the same in his home for her daughter (I found that was the only post in this category) and yes I was getting charged up.

11903750_988959971161842_2513556501775497458_n 11895973_988959997828506_1523222337534060857_n

In the late evening I decided to initiate it and finally did it in a small way. But interestingly my kids liked it and found them getting engaged and started putting their imagination. And I was delighted as my intention clicked.

20150826_081826 20150826_073834 20150826_073821

What about yours? Did you try with your kids? If not try it today.

 


1 Comment

Anandamela | The kick-start for Durgapuja

Today is special.

I have purchased the “Anandamela” Pujabarshiki Book today (the book gets published once in a year by ABP before Durgapuja).

The book was published last week and I was extremely anxious till the time I procured it.

I wait for this book since my childhood. But till now my excitement is still the same.

This is the kick-off incidence of the festive season which keeps us reminding of the arrival of Maa Durga (Goddess Durga).

In my childhood my favourite was “Pandab Goyenda” by Shastipada Chattopadhyay. The storylines by Bablu, Bilu, Bhombal, Bachchu and Bichchu were the pivot point of attraction since I could able to relate myself with the generation of youth. Gradually I fall in love with Shirshendu Chattopadhay, “Kakababu” by Sunil Gangopadhyay, “Arjun” by Samaresh Majumdar, Kikira by Bimal Kar and gradually latest “Mitin Masi” by Suchitra Bhattacharya.

But unfortunately all my favourite characters got lost in due course. There will not more “Mitin Masi” after this book as this was the last story before death by Suchitra Bhattacharyya. Shirshendu babu still writes and the style, charm remain intact.

But present generation is not interested. I have not seen any excitement in the faces of my children even though I keep on trying.

The festival will kick-off soon and as usual I got day dreams as well.

What? Will tell you.

How will be the plan if we, the entrepreneurs join together and organize our own Durgapuja, stay together with family, employees and there family and enjoy full four days together in a single place? If fifty entrepreneurs joins hand, it will aggregate around 500 people together for 5 days in a single place.

Will that not be fun? Will it remind us our old heritage of Joint Family?

Trust you got it now. Yes it is day dream only and getting this executed in Bengal is extremely difficult. But I cannot resist myself from dreaming. Hope you remember the last dream about “Entrepreneurs Outbound at Paren for 72hours”.

My dream, my choice.

What do you think?

anandamela1 sharodiaanondomela1402_01 200px-pujabarshiki2004 pujabarshiki_anandamela_2009_01 Anandamela_Sharadiya_Cover