Sushobhan Mukherjee


1 Comment

আজি হতে কুড়ি বছর আগে

“আজি হতে কুড়ি বছর আগে”

ঠিক ধরেছেন পাঠক, এই পংক্তিটি “বিশসাল বাদ ” কিংবা “আজি হতে শতবর্ষ পরে” থেকে অনুপ্রানিত I

গত মহালয়ার দিন ভোর বেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে “আশ্বিনের শারদ প্রাতে……..” শুনতে শুনতেই  বেশ কয়েকটি এস এম এস , হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ হাজির মোবাইলে “শুভ মহালয়া” ৷ সত্যি , না হলে বোধহয় জানাই হত না সেই দিনটি “মহালয়া” এবং অবশ্যই একটি “শুভ” দিন | পরবর্ত্তীতে ফেসবুক , টুইটারও জানান দিল সগৌরবে যে সেদিন সত্যিই পিতৃপক্ষের শেষ আর দেবীপক্ষের শুরু | এবং বিভিন্নভঙ্গীতে দূর্গা ঠাকুরের ছবি / ভিডিও, নানাবিধ ছড়া , শ্লোক সহযোগে ৷ এবং এই প্রবনতা (বা রোগ) মানবসভ্যতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে সঞ্চারিত জীবন বা সমাজের প্রতিটি ঘটনা/ অনুষ্ঠান কে ঘিরে ৷

ফলত আমার উপরোক্ত বিষয়ের উদ্রেক ৷

আজ থেকে হতে কুড়ি বছর আগে (তিরিশ / চল্লিশ বছর আগে তো বটেই), তখনও অন্তর্জালের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়েনি আস্ত মানবসভ্যতা ৷ ফেসবুক নামক দৈত্যের মায়াজালে মোহগ্রস্ত , আসক্ত হয়ে ওঠেনি যুব সম্প্রদায় ৷ তখনও শরৎ এবং শীতের মাঝে হেমন্ত নামের অধুনা বিলুপ্তপ্রায় ঋতুটি অবশিষ্ট ছিল | প্রোমোটার এবং ফ্ল্যাট সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি বঙ্গসমাজ | ভোরের শিশির ভেজা ঘাসের উপর শুভ্র শিউলির অপার্থিব গন্ধে বাতাস তখনও জানান দিত “আশ্বিনের শারদপ্রাতে…… “মহামায়ার আগমনী | তখনও কোন এক “এশিয়ান পেইন্টস” শারদ সন্মানের চক্করে থিম অভিমুখী আবহমান বাংলার “পৃথিবীর সবচেয়ে বড়” দূর্গা রূপে উদ্ভাসিত হওয়ার কোন দায় ছিল না ৷ ঘরে ঘরে টেলিভিশন নামক যন্ত্রদানবের প্রকট উপস্থিতি অনুভূত হয় নি | ফলত মহলয়ার পূণ্য প্রভাতে উৎকট নৃত্য সহযোগে অসংখ্য চ্যানেলে অসহ্য “মেগাসিরিয়াল” সদৃশ অপেরা দেখার যন্ত্রনা ছিল না | ঝরঝরে ট্রানজিস্টরে মহালয়া শোনার অদ্ভুত এক আকুতি ছিল ৷  আজকের মত স্মার্টফোনে ডলবি সাউন্ডের এফ এম রেডিও ছিল স্বপ্নসম । ভোর চারটেতে ঘুম নষ্ট না করে পরে রেকর্ডেড ভার্সন শুনে নেওয়ার মত অপশন ছিল না ৷

20151020_133053

বন্ধু আমাকে প্রগতিপন্থী , অসামাজিক, প্রাচীন , বৃদ্ধ ভাবলেও আমার কিছু করার নেই l

আমার ছেলেবেলায় আমাদের ঘরে টিউবলাইট ছিলনা ৷ টিমটিমে হলুদ আলোই ছিল ভরসা ৷ লোডশেডিং হত I বাইরে বেঞ্চে বসে পাড়ার আর চারজনের সাথে হাতপাখার হাওয়া খেতেখেতে জোনাক জ্বলা সন্ধ্যেবেলা তারাভরা আকাশ দেখার অবকাশ ছিল ৷ বিবিধভারতীর নাটকের প্রতি ছিল অমোঘ আকর্ষন ৷ বাড়ীতে প্রথম যখন আপট্রন এর ব্ল‍্যাক অ্যান্ড হোয়াইট টিভি এল, প্রতি রবিবার দূরদর্শনে ছায়াছবি দেখতে পাড়ার অনেকেই ভীড় জমাতো I পূজো শেষে পাড়ার প্রতিবাড়ীতে বিজয়ার প্রণাম করতে যেতাম l ঘরে বানানো নাডু নিমকি সহযোগে আপ্যায়ন চলতো ৷ দশমীর দিনেই পোষ্ট কার্ড ইনল্যান্ড এ চিঠিলেখার তোড়জোড় শুরু হত ৷

20151020_132113 20151020_132157

এই বিশ বছরে সমস্ত কিছু আমূল বদলে গেল। আর এই বদলের কাণ্ডারী চারমূর্তি “কম্পিউটার”,”ইন্টারনেট”,”গুগল” এবং “ফেসবুক” I

দুটি মানুষ আজ মুখোমুখি গল্প না করে মুঠোফোনের আবর্ত্তেবন্দী ৷ আমাদের দৈনন্দিন প্রতিটি কর্মকান্ড(নিতান্ত ব্যক্তিগত, অপ্রাসঙ্গিক বিষয়সহ) প্রায় রানিং কমেন্ট্রির মত তথাকথিত সোশাল মিডিয়ায়  আমজনতার নজরবন্দী ৷ সহজলভ্যতার বাহুল্যে প্রতিটি বিষয় তার গুরুত্ব হারিয়েছে I যেমন ক্যামেরা, গান ৷ প্রতিটি স্মার্ট ফোনেই এফএম, মিডিয়া প্লেয়ার, ক্যামেরা l সবার কানে হেডফোন ৷ ছবির পর ছবি ক্লিক আর ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এ মূহুর্তে আপলোড l এসএমএস,হোয়াটসঅ্যাপ, মেলে শারদীয়া শুভেচ্ছা,প্রনাম । কোথায় কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ, আড্ডা? কোথায় সেই আলিঙ্গনের উষ্ণতা?

আমরা ছুটে বেড়াচ্ছি প্রযুক্তির পিছনে ৷ ইন্টারনেট অফ থিংস কানেক্ট করতে চায় প্রানহীন প্রতিটি জিনিসকে, যাতে আমাদের জীবন আরো অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়ে, হয়ে পড়ে নির্ভরশীল ৷ যেমন আজকে আমাদের খুব বেশী কিছু মনে রাখার প্রয়োজন নাই ৷ গুগল সার্চ জিন্দাবাদ ৷ ফেসবুক আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ ৷ পুরোটাই যদিও ভার্চুয়াল ৷ এই অতি নির্ভরশীলতা কি ভাল? ভবিষ্যতের গহ্বরে এর উত্তর লেখা থাকবে ৷ যে চারটি প্রযুক্তির কল্যানে (চারমূর্তি) আমরা আজ স্বাচ্ছন্দের (তথাকথিত) চূড়ায়, সহজলভ্যতার নাগপাশে আবদ্ধ, কোন একদিন হয়তো এদেরকেই মানবসভ্যতা ধ্বংসের কাণ্ডারী হিসেবে গণ্য করা হবে ৷ আজকে এই সন্ধিক্ষণে একথা কষ্টকল্পনা, পাগলের প্রলাপ মনে হতে পারে I কিন্তু সাধু সাবধান ।

আজ সতর্ক না হলে আজ থেকে বিশ বছর পরে আর সুযোগ নাও আসতে পারে।

আসুন না একটু শান্তি, একটু আনন্দের খোঁজ করি৷ একটু মনের খবর নিই ৷ শুধুই যুগের হাওয়ায় না ভেসে, গড্ডালিকা প্রবাহে চালিত না হয়ে একটু নিজস্ব চিন্তাভাবনার চেষ্টা করি ৷ শুধুই ব্যস্বাগীশ না হয়ে, অর্থ/সাফল্য/সুখ/ সমৃদ্ধিরূপী মরিচীকার দিকে নিরন্তর না ছুটে, আসুন না একটু হৃদয়ের কথা শুনি ৷ ফিরে আসুক নিজের জন্য, পরিবারের জন্য সময় ৷ যন্ত্র, প্রযুক্তি, মিডিয়া, আর্থসামাজিক পরিস্থিতি আমাদের যা করাতে/ভাবাতে চাইছে অদৃশ্য অঙ্গুলী হেলনে, সেই  চালিকা শক্তির পদানবত না হয়ে আসুন না ঘুরে দাড়াই ৷ এই শারদ প্রাতে আগমনীর সুর আমাদের চেতনা জাগ্রত করুক । নিজস্ব যুক্তিবুদ্ধি , বিবেচনায় সমৃদ্ধ হয়ে ফিরে আসুক আমাদের স্বকীয়তা ৷

শুধুই একটু উষ্ণতার জন্যে ৷

রেললাইনের ধারে, দোদুল কাশের বনের পাশে অপু-দূর্গার পাশে সেদিন থাকবো আমরাও I আমি-আপনি-তুমি-তোমরা-আপনারা ৷ প্রকৃতির কোলে সত্যিকারের পথের পাঁচালীর অংশীদারত্বে সেদিনই হবে মহামায়ার বোধন ৷ প্রযুক্তি সঙ্গে থাকুক বন্ধু হয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রনে আর আলোকমঞ্জরী তে উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক এই বিশ্ব ।

“আশ্বিনের সেই শারদপ্রাতে…” আমরা মেতে উঠবো আনন্দযজ্ঞে ।

অপেক্ষায় রইলাম বন্ধু ৷

শুভ শারদীয়া ।

 

 

 

 

Advertisements


1 Comment

Anandamela | The kick-start for Durgapuja

Today is special.

I have purchased the “Anandamela” Pujabarshiki Book today (the book gets published once in a year by ABP before Durgapuja).

The book was published last week and I was extremely anxious till the time I procured it.

I wait for this book since my childhood. But till now my excitement is still the same.

This is the kick-off incidence of the festive season which keeps us reminding of the arrival of Maa Durga (Goddess Durga).

In my childhood my favourite was “Pandab Goyenda” by Shastipada Chattopadhyay. The storylines by Bablu, Bilu, Bhombal, Bachchu and Bichchu were the pivot point of attraction since I could able to relate myself with the generation of youth. Gradually I fall in love with Shirshendu Chattopadhay, “Kakababu” by Sunil Gangopadhyay, “Arjun” by Samaresh Majumdar, Kikira by Bimal Kar and gradually latest “Mitin Masi” by Suchitra Bhattacharya.

But unfortunately all my favourite characters got lost in due course. There will not more “Mitin Masi” after this book as this was the last story before death by Suchitra Bhattacharyya. Shirshendu babu still writes and the style, charm remain intact.

But present generation is not interested. I have not seen any excitement in the faces of my children even though I keep on trying.

The festival will kick-off soon and as usual I got day dreams as well.

What? Will tell you.

How will be the plan if we, the entrepreneurs join together and organize our own Durgapuja, stay together with family, employees and there family and enjoy full four days together in a single place? If fifty entrepreneurs joins hand, it will aggregate around 500 people together for 5 days in a single place.

Will that not be fun? Will it remind us our old heritage of Joint Family?

Trust you got it now. Yes it is day dream only and getting this executed in Bengal is extremely difficult. But I cannot resist myself from dreaming. Hope you remember the last dream about “Entrepreneurs Outbound at Paren for 72hours”.

My dream, my choice.

What do you think?

anandamela1 sharodiaanondomela1402_01 200px-pujabarshiki2004 pujabarshiki_anandamela_2009_01 Anandamela_Sharadiya_Cover


Leave a comment

Durgapuja – Trend Analysis

Durga Puja ends, however festive season continues. Lakhsmipuja, Kali Puja, Diwali and so on. But Durgapuja being the largest among them, the wait for the same begins for next one year.

I was seating with my tea today morning and was wondering how everything got changed. The views shared in this post is completely my own thought and no influence so ever from any source. And I seem to be an alien with the surroundings where a revolution (??) took place over a decade.

Volume/ Quantity

Like any other aspect in life, here also “Quantity” is the evil. With the growth of real estate industry the world is flooded with flats/ complexes and in effect every complex (consolidation of few Flats) owning a Durgapuja which is outside the “Sarbojonin” / “Baroari” Puja (Public) of a Para (area/ locality). This does not mean, Sarbojonin Pujas are geting vanished, rather the earlier one (Puja of Complexes / Flats) is getting added to the bucket. In effect flooded with no. of Pujas. The exact count of Pujas can be good project to create a research paper though do not know if already some has been done like this.

Division / Diversity

Durgapuja is supposed to be an occasion for reunion and rejuvenation. But actually in present circumstances, it is reverse. Different people with different mind-set, philosophy, boundaries, political colours, thought process, intend to segregate in different community circles and compete with the other one. Puja is one of medium now a days to showcase differences/segregations/diversity and off course each other’s strength.

Theme

Instead of legacy, the theme culture is being very prominent now a days. The same is not bad. The committees spend lot of time to innovate new concept and the hard work continues for the whole year. Different kind of artistic works are being adopted and deployed. But alas, no retention. And due to quantity problem, how many of them we remember for years? I had enquired few of my friend about the themes of few renowned Pujas of Kolkata 2 years back. But none could respond. Coz I found everyone under pressure to complete every corner of the city days and night. I find people roam around whole night consecutive three days and also attend office in day time. I found someone visited 25 Puja Pandal in 3/4 Hours time. I really don’t feel this way (the servant way, do not know who is driving them), any quality, taste, remembrance can happen. Everyone is running around as if some Sales Target to be achieved. They are least bothered about traffic, jam, weather, non-availability of transport, excessive price for food/transport nothing could prevent the crowd to reach almost everywhere. I wonder if similar efforts / energies could have been revealed during work/job/employment, the Bengal work culture / echo system would have a different path all together.

Foods

Again quantity is high (lot of outlets), poor quality, but still it sells. In my locality in 1 km stretch I found 7 Biryani Counters (who sells only Biriyani, there are other outlets which sells biriyani with everything else) and all are running well. At 10pm I found one biriyani stall kept rice, potato and chicken separate. Whenever someone needs it, they mix three of these and pack. Alas, there is no “DUM” concept and this Biriyani sells and they get repeat customers as well. Are we losing our taste? Can we eat anything and everything?

Awards

Now a days all Puja Pandals get awards. So many competetions run by different companies. This year I have seen at least 5 / 6 pandals in my locality got awards by Panchami itself. The mementos are found to be showcased there. Now questions is who are the judges, what are the parameters and what are the benefits other than Memento. No one is there to answer. With the rise of Pujas, awards had been increased in proportion. And as usual it is not having any charm, any thrill of winning.

Culture

Shock ! May be I am getting old. I found a young man (max 20 years of age) on Chaturthi on a Matador. He was coming from Kumortuli with his friends and off course Maa Durga and other Pratimas. But surprisingly he was holding a Beer Bottle in hand and having drinks openly on the go. Almost all the Pujas are having DJ in vasan or in during Puja days. I have been told this is being organized to energize the youth to dance since they had put lot of efforts organizing the Puja. Also my thought only adding beats to any song with not create any music. If so then it is better to play beats only without the song. Anyway, today everyone is music lover since I found everyone plugging ear phone from Mobile and listening music always (in bus, train, walk). I feel like crying.

Business

Most important aspect. The kind of growth of Puja in Bengal, it is definitely a huge market for specific segment like artists, decorators, electricians, theme artists, electrical companies, food/ QSR companies. Exact valuation of the market segments is a different research activity. But huge inflow of money. But what is the return? Who is getting benefitted? The bottom of pyramid, the workers involved in this are not even getting a small pie of it. Moreover there is no retention policy of the creations. Hence almost majority of the money is drained out. This is the money accumulated from the tax prayers only in some form or other.

Mythology

In spite of so many media , themes, majority of youth are unaware of history of the occasion, the philosophy (there are exceptions as always) because people are not having time to read , think instead of focusing on visuals. This is applicable even for my daughter (7years old). She has seen all different TV channels (swapping between them) for 2 / 3 hours on Mahalaya. But she could tell me the story as was depicted there. This is the reason they do not get bored even on repeat telecasts (like all cartoons I have seen repeats, still they enjoy always).

Start-up Ecosystem / SME

Even after money market scams, the fund flow did not stop. The spending power of common man did not go down even after inflation. The same was quite evident with the rise of retail outlets and the crowd gathering in almost all outlets in all areas. I dream, if some percentage of same could have been accumulated, spent, reserved for Start-ups in Bengal, the story would have been different.

I seem to be out of the world. Anyone from in the readers having similar opinions?

3-10-2011 021

Goddess is also Curious to know the answer


2 Comments

Durgapuja | Looking at History and Mythology

(01-10-2014 : This blog is written in the event of Holy Saptami of Durgapuja Festival. I have not written anything new, rather wanted to collate different parts which I heard , read in my life. Hence the entire writing is dedicated to all those unknown people, books, articles , mythology etc)

 

Durga Puja is the biggest annual religious festival for the Bengalis. It is the celebration of the victory of goddess “Durga” over the evil demon “Mahish asur” (buffalo powered demon). Devi Durga is the goddess for energy and power. She conquered a powerful evil (demon) with her ten hands riding the lion. All other gods and goddesses had given their entire weapon and power to Devi Durga to fight against energetic evil. The goddess is worshiped with great passion and devotion.

This holy festival is an occasion for reunion and rejuvenation, and a celebration of traditional culture and customs. While the rituals entails ten days of fast, feast and worship, the last four days – Saptami, Ashtami, Navami and Dashami – are celebrated with immense joy and splendour.

In the ancient times, Mahishasur was blessed by ‘Lord Shiva’ due to his dedicated meditation and devotion. The blessings was that no man or Deity would be able to kill him. In effect Mahishasur became immense powerful and started ruling over the World and even the Gods were driven out from heaven.

Lord Shiva became extremely angry once Gods reported him about the violence caused by the demon. This anger came out in the form of an energy from Shiva’s third eye and concentrated along with the powers of Bishnu and Brahma (trinity) to form a woman. All the Gods contributed their energy to this Goddess and thus Durga, the eternal mother, was born. After a fierce battle, Durga transformed into Devi Chandika, the most ferocious form of the Goddess, and beheaded Mahishasur.

Durga Puja is celebrated every year in the bengali month of Ashwin (September-October) and commemorates Prince Rama’s invocation of the goddess before going to war with the demon king Ravana. This autumnal ritual was different from the conventional Durga Puja, which is usually celebrated in the springtime. So, this Puja is also known as ‘akal-bodhan’ or out-of-season (‘akal’) worship (‘bodhan’). Thus goes the story of Lord Rama, who first worshipped the ‘Mahishasura Mardini’ or the slayer of the buffalo-demon, by offering 108 blue lotuses and lighting 108 lamps, at this time of the year.

As per Hindu mythology Daksha (the king of the himalayas and the plains) and his wife, Menoka, had a daughter named Uma. Uma started worshipping Shiva as her would be husband since her childhood. Shiva got pleased with it and came to marry her. Daksha did not like this groom, dressed with tiger-skin & dirt (ash) spread across the body. Uma got married to Shiva but was prevented by her father from moving to Kailash, the domicile of Shiva. Daksha, later on, arranged for a prayer where everyone except Shiva was invited. Uma was shocked and felt ashamed of the behaviour of her father towards her husband. In effect she started fasting and finally died. Shiva came to know about this and went to Daksha’s house. He lifted the body of Uma on his shoulders and started dancing madly. With the supreme power dancing, the World was on the verge of destruction. Narayana, another SuperGod (lord Bishnu), came forward as a saviour and used his ‘Chakra’ to cut the Body of Uma into pieces. Those pieces started falling off from the shoulder of the dancing Shiva into different parts of the World. Shiva was finally pacified when the last piece fell off from his shoulder. Narayana revived Uma for a new life. The places where the pieces had fallen are known as the ‘Shakti Piths’ or energy pits, few of these places being Kalighat in Kolkata, Kamakshya near Guwahati among others.

Ever since peace was restored, during autumn season, devi durga (Uma) comes to her parental house at plain land for four days. Every year astrologers declare 4 days in advance and these dates varies year to year. She comes to her parental house along with her 2 daughters (Goddess of Treasure – Laxmi and Goddess of Education – Saraswati) and 2 sons (God of Prosperity – Ganesh and God of Youth – Kartik). And Durga Puja gets celebrated.

durga


2 Comments

পূজা নস্টালজিয়া

আজকে প্রথমবার কম্পিউটার এ বাংলায় লেখার চেষ্টা করলাম। ইচ্ছে করেই আজকের লেখাটা বাংলায় । পরে ইংরাজী তে অনুবাদ করে লিখবো অবাঙ্গালী পাঠকদের জন্য । অসুবিধার জন্য দুখিঃত ।

দূর্গা পূজা আগতপ্রায় । আর ২৩ দিন পরেই মা আসবেন নৌকা চড়ে । গতকাল আমাদের বাড়ীর পাশে পূজো্র বাঁশ পড়েছে । আর আমার মনে পড়ে যায় ছেলেবেলার কথা । আজও কিন্তু বাঁশ পড়তেই একই রকম মানসিক উত্তেজনা অনুভব করি । যদিও সেই শরৎ কাল আজ আর নেই । সেই পেঁজা তুলোর মত মেঘ, হিমেল পরশ আজ কই? কাশফুলও আমাদের শহুরে জীবনে বিরল ।

IMG_20140907_112547  IMG_20140907_112544

কিন্তু পূজো আসছে । পূজো মানেই কিন্তু পুজোসংখা, গান, নতু্ন জামা ।

কিন্তু কজন পড়ে পুজোসংখার বই? আনন্দমেলা, শুকতারা?

IMG_20140907_213820   IMG_20140727_113622

আজকের শিশুরা কার্টুন এই বেশী মশগুল । ছোটাভীম, সিঞ্চন, ডোরেমন ।

সমস্তকিছুই আজকে চাক্ষুষ করাটাই দস্তুর । ভাবনা চিন্তা, কল্পনা শক্তি বিকাশের কোন সুযোগ নাই । তার উপর অধিকাংশ কার্টুন এ কোন ভাল গল্প বা বানী নেই যা শিশুদের মানাসিক বিকাশের সাহায়ক ।

আজও কাকাবাবু, পঞ্চপান্ডব, অর্জুন এই সব অমর চরিত্র পূজো এলে মনে পড়ে।

আমরা আনেকে আজ ট্যাবলেট এ বই পড়ি । কিন্তু একটা বই এর গন্ধ, হাতে নেড়েচেড়ে পড়ার যে অনুভুতি, মাধুর্য্য তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন ।

এক সময় য ছিল রেকর্ড, পরে তা হয় ক্যাসেট, আর এখন সিডি । কিন্তু পুজোর গানের সেই উন্মাদনা কই । তার মানে কিন্তু এই নয় যে এযুগের গান ভাল নয় । এর কারন হল বাহুল্য, আধিক্য । এত শিল্পী, এত গান, এত সিডি । ভাল জিনিষ ভিড়ে হারিয়ে যায় । এটাই কিন্তু বিগ ডাটা । অত্যধিক পারিমানে গান, ছবি, ভিডিও, লেখা, সাহিত্য ভিড়ে হারিয়ে যায় । মহাকাল জয়ী হবার যোগ্য হাওয়া সত্যেও তা সঠিক জায়গায় পৌছতে পারে না । আর আমরা নতুন প্রযুক্তির সন্ধানে থাকি আমাদের নিজেদের সৃষ্ট বিগ ডাটা নামক জজ্ঞাল কে আয়ত্তে আনার জন্য ।

আমাদের ছেলেবেলায় বাড়ীতে টিভি ছিল না । বিবিধ ভারতী ভরসা । আর মহালয়ার দিন সাকালে মহিশাসুর মর্দিণী । আজতো সিডি এর বহু্ল ব্যাবহারে মহিশাসুর মর্দিণী তার কৌলিন্য হারিয়েছে । ভোর চারটে তে না উঠলেও চলে । শিশুরা টিভি তে বেশি সুখ পায় ।

কিন্তু সেই আনন্দ কি আছে? যতই ভাল এবং দামী জামা, জুতো হোক বাচ্ছারা কিছুতেই উচ্ছসিত হওয়ার রসদ পায় না ।

আজকে থিম এর ছড়াছড়ি, আয়োজনের বাহুল্য, অঢেল বিত্তের উন্মুক্ত বিতরন । কিন্তু প্রানের সুখ, মনের আরাম কই?

পাঠক কি ভাবছেন? আমরা কি সত্যিই ভাল আছি? না আগেকার দিন ই ভাল ছিল?

নস্টালজিক হবার সত্যিই কি কোন কারন নেই বন্ধু?

images (1)